প্রাত্যহিক সমাবেশ: প্রার্থনা ও শপথ বাক্য

সকালবেলার পবিত্র বাণী ও প্রতিজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিটি দিন শুরু হোক সততা, নিষ্ঠা ও সুশৃঙ্খল মানসিকতায়।


মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য: পবিত্র কুরআন হতে পাঠ

أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰনِ الرَّحِيمِ ﴿১﴾
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿২﴾ الرَّحْمَٰনِ الرَّحِيمِ ﴿৩﴾ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ﴿৪﴾
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ﴿৫﴾ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُসْتَقِيمَ ﴿৬﴾
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ ﴿৭﴾
আউযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ সহ উচ্চারণ:
• আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বানির রাজীম।
• বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
১. আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। ২. আর-রাহমানির রাহিম। ৩. মালিকি ইয়াউমিদ্দিন। ৪. ইয়্যাকা নাবুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তাইন। ۵. ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকিম। ৬. সিরাতাল্লাজিনা আনআমতা আলাইহিম গায়রিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লিন। (আমীন)
অনুবাদ:
• আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
• পরম করুণাময় ও অসীম dয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।
১. সকল প্রশংসা মহাবিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। ২. যিনি পরম করুণাময় ও অসীম dয়ালু। ৩. যিনি বিচার দিবসের মালিক। ৪. আমরা কেবল আপনারই ইবাদত করি এবং কেবল আপনারই সাহায্য চাই। ৫. আমাদের সরল পথ প্রদর্শন করুন। ৬. তাদের পথ, যাদের আপনি পুরস্কৃত করেছেন; তাদের পথ নয় যারা ক্রোধে পতিত ও পথভ্রষ্ট হয়েছে।

জাতীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক শপথ বাক্য

“আমি শপথ করিতেছি যে, আমি সর্বদা মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখিব। হে প্রভু! তুমি আমাকে শক্তি দাও, আমি যেন আমার দেশের প্রতি অনুগত থাকিতে পারি এবং দেশের সকল মানুষের কল্যাণে কাজ করিতে পারি।”

“আমি আরও প্রতিজ্ঞা করিতেছি যে, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন সুশৃঙ্খল, বিনয়ী ও আদর্শ শিক্ষার্থী হিসেবে নিজের কর্তব্য পালন করিব। অন্যায় ও অসততা থেকে নিজেকে দূরে রাখিব এবং সমাজকে সুন্দর করিয়া গড়িয়া তুলিতে সর্বদা সচেষ্ট থাকিব।”

“অহংকার বর্জন করিয়া বিনম্র আচরণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাবের মাধ্যমে সমাজ ও মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখিব। এমন কোনো কার্য করিব না যাহাতে আমার দেশ, আমার পরিবার এবং আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়।”


শিক্ষা ও শিক্ষকের মর্যাদা নিয়ে অনন্য বাণী

আল-হাদিস

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "তোমরা জ্ঞান অর্জন করো এবং জ্ঞান অর্জনের জন্য শান্ত ও নম্র আচরণ শেখো। আর যার কাছ থেকে তোমরা জ্ঞান অর্জন করছো (শিক্ষক), তাঁর প্রতি বিনীত হও।"
(আল-মুজামুল আওসাত)

আল-হাদিস

বিদায়ের আলো ছড়াতে গিয়ে নবী করীম (সা.) গর্বের সাথে ঘোষণা করেছিলেন: "নিশ্চয়ই আমাকে একজন শিক্ষক হিসেবেই প্রেরণ করা হয়েছে।"
(সুনানে ইবনে মাজাহ)

হযরত আলী (রা.)

ইসলামের চতুর্থ খলিফা জ্ঞাননগরীর দ্বার হযরত আলী (রা.) শিক্ষকের মর্যাদা দিয়ে বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমাকে একটি অক্ষরও শিক্ষা দিয়েছেন, তিনি আমাকে তাঁর দাসে পরিণত করেছেন।"

মনীষীদের বাণী

"শিক্ষক হলেন সভ্যতার আলোকবর্তিকা এবং মানুষ গড়ার সুনিপুণ কারিগর। একটি সুশিক্ষিত জাতি বিনির্মাণের মূল ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় শিক্ষকের স্নেহের হাত ধরেই।"